জঙ্গি অভযিান

সিরাজী এম আর মোস্তাক: সম্প্রতি নরসিংদী জেলায় একটি মেস বাড়িতে জঙ্গি অভযিানে সব গুমর ফাঁস হয়। এলাকাজুড়ে পরচিতি উচ্চশক্ষিতি কয়েক ছাত্র টিউশনি বা কোচিংয়ের জন্য বাড়িটি ভাড়া নয়ে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সেখানেই পাঁচজন নিরীহ ছাত্রকে জঙ্গি হসিবেে র্দীঘ ২২ ঘন্টা ঘিরে রাখা হয়। একজন ঢাকা ভার্সিটির , ৩জন নরসিংদী সরকারী কলেজের মাস্টার্সের ছাত্র এবং আরেকজন সেখানে প্রাইভেট পড়তে আসা দশম শ্রণেীর ছাত্র বলে জানা যায়। তাদের ঘিরে রাখার খবরে হাজার হাজার নারী-পুরুষ জড়ো হয়। বাইরে কান্নার রোল পড়ে যায়। ১৪৪ ধারা জারি হয়। মিডিয়াকে সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেয়া হয়। অবরূদ্ধরা বিভিন্ন ভাবে নিজেদের নির্দোষের প্রমাণ দেখায় । মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য র্প্রাথনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয় । সে সুত্র ধরে ৭১টভিতিে বিশেষ রিপোর্ট প্রচার হয়। এতে দশেজুড়ে চরম উৎকন্ঠা ছড়ায়। সবাই অপক্ষো করতে থাকে, শীঘ্রই নিরীহ পাঁচ ছাত্র প্রাণ হারাবে নিছক জঙ্গি তকমায়। এতে প্রশাসন তাদের বের করে এনে আত্মসর্মপন করেছে বলে জানায়। রাতেই তিনজনকে ছেড়ে দেয় এবং দুজনকে মামলায় জড়ায়। জনমনে একটু স্বস্তি হয়। সবাই ৭১টিভিকিে ধন্যবাদ জানায়। রিপোর্টি টি প্রচার না হলে অন্যান্য অভিযানের মতো নিরীহ পাঁচ ছাত্রের ও নির্মম পরণিাম হতো বলে সবাই ধরে নেয় ।
বষিয়টি জনমনে নাড়া দয়ে। কছিু উৎসুক গবষেক নাটকীয় জঙ্গি অভযিানরে রহস্য উদঘাটনে গবষেণা চালায়। তারা গুলশান হলি র্আটজিান হামলাতওে নরসংিদীর অভযিানরে মলি খুঁজে পায় এবং সাজানো নাটক বলে অভমিত দয়ে। সদেনিও মাত্র ছয়-সাত জঙ্গি র্কতৃক দুই পুলশি র্কমর্কতা হত্যাসহ চল্লশিজন পুলশি আহত হয়। জঙ্গরিা কছিু বন্দীকে অবশ্বিাস্যভাবে ছড়েওে দয়ে। তারপর হোটলেে অবস্থানরত বাইশজন নরিীহ ব্যক্তকিে নর্মিমভাবে হত্যা করে এবং হোটলেরে রক্তাক্ত মঝেতেে সারারাত নরিবে কাটয়িে দয়ে। পরদনি সকালে অপারশেন থান্ডারবোল্ট শুরু হল,ে প্রতরিোধ করে এবং নহিত হয়। এ অবাস্তব ঘটনা, পাগলরে কাছওে অস্পষ্ট নয়। অথচ দশেরে গৃহপালতি বরিোধীদল ও সকল রাজনতৈকি দল কথতি জঙ্গদিরে বরিূদ্ধে অভযিানে সোচ্চার হয়। তখন থকেইে দশেে নাটকীয় জঙ্গি অভযিান শুরু হয়। জঙ্গি অভযিানে বাড়-িবাড়ি ঘরোও হয় এবং বচিারবহর্ভিূত হত্যা সংঘটতি হয়।
এখন দশেরে কউে নরিাপদ নয়। সাবকে প্রধানমন্ত্রী বগেম খালদো জয়িাও নয়। বনিা নোটশিে তাঁর গুলশান র্কাযালয়ওে অভযিান চালানো হয়। এভাবে কখন কার বাড়তিে জঙ্গি অভযিান চল,ে তা স্পষ্ট নয়। কার কপালে জঙ্গি তকমা জোট,ে তাও কউে অবগত নয়। নরসংিদীর ঘটনা থকেে এটাই প্রতীয়মান হয়। সলিটেরে জঙ্গি অভযিানও হুবহু মলিে যায়। সখোনে চার-পাঁচ মাইল জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি ও সংবাদর্কমীদরে প্রতি বাধা সত্ত্বওে কভিাবে পুলশি র্কমর্কতা নহিত ও র‌্যাবরে গোয়ন্দো প্রধান আহত হয়, তা কারো বোধগম্য নয়। তারপর আহত সনো র্কমর্কতাকে ঘটা করে সঙ্গিাপুরে নয়ো, মুর্মূষু সত্ত্বওে দশেে ফরিে আনা এবং দুইদনিরে মধ্যে দাফন করা; সবই রহস্যজনক মনে হয়। বাংলাদশেে প্রকৃত বরিোধীদল নইে, বধিায় সঙ্গিাপুররে মতো সভ্য দশে একজন মুর্মূষু রোগীকে ছাড়পত্র দয়িে সহজে পার পয়েে যায়। আর আমাদরে দক্ষ সনোবাহনিীও এ সঙ্গিাপুরী বাঁশ মনেে নয়ে।
নরসংিদীর ঘটনায় প্রতীয়মান হয়, জঙ্গি অভযিানে নরিীহ নাগরকিগণ হত্যার শকিার হয়। জনমনে আতঙ্ক ও বাধ্যগত আনুগত্য সৃষ্টি হয়। এ অভযিান চলছ,ে দশেরে প্রতটিি নর্বিাচনী এলাকায়। এ খবর কমই মডিয়িায় প্রকাশ পায়। কছিুদনি আগে ঢাকার ধানমন্ডতিে সরকারী অবসর ভবনে রাত বারোটা থকেে ভোর পাঁচটা র্পযন্ত যৌথ অভযিান চল,ে অথচ মডিয়িার কউে তা অবগত নয়। তমেনি পত্রকিাতে প্রায়ই পুলশিরে সাথে বন্দুকযুদ্ধে হত্যার খবর দখো যায়। তাতে পুলশিরে কাছে আটক ব্যক্তরিাই শুধু নহিত হয়। যমেন, দশদনিরে রমিান্ডে থাকা জঙ্গি ফাহমি পুলশিরে সাথে বন্দুকযুদ্ধে নহিত হয়ছেে হাতকড়া অবস্থায়। নরসংিদীর ঘটনার পর উৎসুক গবষেকদরে মাধ্যমে জঙ্গি অভযিানরে আরো গুমর বরে হয়। অতএব, জঙ্গি অভযিানরে নামে বচিারবহর্ভিূত হত্যাকান্ড আর নয়।
শক্ষিানবশি আইনজীবী, ঢাকা।