কর্মক্ষেত্র

প্রতিটা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকে। এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানের কিছু নিয়ম-কাননে পার্থক্য থাকে। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বেশ কিছু মজার নিয়ম দেখা যায়।

জাপানে কোনো কর্মী অফিসে ঘুমালে তাকে পরিশ্রমী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আবার ইউনাইটেড আরব আমিরাত ‘রিডিং ব্রেক’ নামের নতুন এক আইনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে চাইছে। এতে বলা হচ্ছে, অফিসে কর্মীদের ঘন্টা দুয়েক বই পড়তে হবে। এর মাধ্যমে কেবল যে জ্ঞান বাড়বে তাই নয়। তাদের নিয়মানুবর্তিতার চর্চা ঘটবে। এখানে জেনে নিন আরো মজার কিছু বিষয়।

১. বাধ্যতামূলক ছুটি : দারুণ এ নিয়মের দেখা মেলে অস্ট্রিয়ায়। প্রতি ছয় মাস কাজের পর প্রত্যেক কর্মী ৩০ দিনের পেইড ভ্যাকেশন পান। যারা ২৫ বছরের কম সময় ধরে চাকরি করে আসছেন, তারা এ সুবিধা বাধ্যতামূলকভাবে পাবেন। কেউ অনেক বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হলে এই ছুটি ৩৬ দিনে পৌঁছবে।

২. ঘুমের সুবিধা : কর্মক্ষেত্রে কাউকে ঘুমাতে দেখলে তা খারাপ দৃষ্টিতেই দেখা হয়। কিন্তু জাপানে মোটেও তেমনভাবে দেখা হয় না। কর্মক্ষেত্রে ঘুমানো জাপানে অতি স্বাভাবিক বিষয়। সেখানে বিশ্বাস করা হয়, অফিসে ঘুমানোর অর্থ কর্মী কঠোর পরিশ্রম করেন।

৩. ভ্রমণ যখন জন্মগত অধিকার : সব মানুষের মাঝেই ভ্রমণের ইচ্ছা থাকে। কিন্তু বর্তমান কর্মদিবসে ভ্রমণ খুব কঠিন বিষয়। কিন্তু বেলজিয়ামে একে কর্মীদের জন্মগত অধিকার বলে মনে করা হয়। কাজের ফাঁকে বিরত নিতে তাদের ভ্রমণের সুযোগ দেওয়া হয়। এই ভ্রমণের সময় কেবল যে বেতন পান তাই নয়, কর্মীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নেওয়া হয় যে তিনি ছুটি শেষে আবারো কাজে ফিরে আসবেন।

৪. সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ই-মেইল নয় : ফ্রেঞ্চ ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি দেশের কর্মীদের প্রযুক্তির ব্যবহার কমাতে উৎসাহ দেয়। বিশেষ করে ছুটির দিনে কর্মীরা যেনো অফিসের কাজে ই-মেইলের ব্যবহার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে না পড়েন সে দিকে খেয়াল রাখেন। কাজের বাইরেও যে জীবন রয়েছে সেখানে যেনো তারা ব্যস্ত থাকেন, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেয় দেশটির কর্ম বিষয়ক আইন।

৫. প্রতিষ্ঠানে ভ্রমণে যাওয়াও কাজ : ইউরোপিয়ান কোর্ট অব জাস্টিস এক রুলে বলেন, অফিসের কাজে ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রথম ও শেষ অ্যাপয়েনমেন্টের মাঝের সময়টুকু অফিসের কাজ বলেই গণ্য হবে। কর্মীদের কেবল স্বাস্থ্যগত বিষয়টি খেয়াল করতেই এই আইন করা হয়নি, চাকরিদাতারা যেন কর্মীদের অধিকার খর্ব করতে না পারে সেদিকেও দৃষ্টি রাখা হয়েছে।

৬. চাকরিচ্যুত করা যাবে না! : চাকরিজীবীদের জন্য পর্তুগাল যেন স্বর্গ। সে দেশের কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা যায় না। সেখানে এ কাজটি করার জন্য সময় বেঁধে দেওয়া আছে। যদি তার আগে প্রতিষ্ঠান কাজটি করতেও চায়, তবে কর্মীর জন্য উন্নত রেজিগনেশন প্যাকেজ প্রস্তাব করতে হবে। কর্মীকে চাকরি ছাড়ার জন্য রীতিমতো বিনীত অনুরোধ জানাতে হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরো পড়ুন পাঁচ লোভনীয় ক্যারিয়ার, যা অনেকেরই জানা নেই

বিঃ দ্রঃ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ,চাকরি এবং বিজনেস  নিউজ ,টিপস ও তথ্য নিয়মিত আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বাংলার জব  এ