বর্তমান বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবসা হল স্বল্প মূলধনে একমাত্র সফল ও নিশ্চিত লাভবান ব্যবসা।
শিক্ষা ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করে A (advance) সাথে + লাগিয়ে। এখন শিক্ষার মূলনীতি হল শিক্ষার্থীকে A + নামক স্বর্ণ কিংবা সিলবারের ভুয়া ইমিটিসন পদকের লোভ দেখিয়ে তার বাবার কষ্টে অর্জিত অর্থকে নিজের পকেটে আনা।
( বৃদ্ধ মরুক কিংবা দোযখে যাখ উদের জন্য মেজবান অবশ্যই দিতে।)
প্রত্যক দেশে নিজস্ব সংস্কৃতি ঐতিহ্য ও ইতিহাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে পাঠ্যবিষয় ও শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠে।
বাংলাদেশের  শিক্ষা ব্যবস্থা কিসের উপর দাড়ানো একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।
আমরা বাংলা শিখি লুঙ্গী গায়ে দিয়ে  ঘরে, ইংরেজি শিখি শার্ট কোর্ট পরে ইংরেজ মিয়ার দরবারে এবং আরবী শিখি মক্তবে পাইজামা পান্জাবী পরে খুব আদবে।
আমাদের শিক্ষা ভয় দিয়ে শুরু হয় যেমন প্রথম শ্রেণীর বাংলা বইয়ের প্রথম পাঠ্য হচ্ছে,
অ তে অজগর, অজগর টা আসছে তেড়ে।
ছাত্ররা এটা শিখে কি চিন্তা শুরু করল সেটা চিন্তা করার বিষয়।  যদি অ তে শিখানো হত অমর,ভাল কাজে মানুষ হয় অমর। তবে তার চিন্তা চেতনা ভাল কাজের দিকে অগ্রসর হত।
আমাদেরকে প্রথমে এই শিক্ষানীতিচালু করতে হবে, যে শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ তার মনুষ্যত্বের গুণাবলী সমূহ সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে জানবে এবং তা বাস্তবজীবনে মনুষ্যত্বের পরিপূর্ণরূপ ধারন করে অপর মানুষ কে সেবা সহযোগিতার মাধ্যমে মনুষ্যত্বের বিকাশ করে নিজ পরিবার ও সমাজ এবং জাতি ও দেশকে উন্নতির শীর্ষে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে, সে শিক্ষাই শিক্ষিত করে শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলতে হবে। সুশিক্ষাই পারে একটি জাতিকে পরিবর্তন করতে।
কেননা  মানুষ যদি শিক্ষা দ্বারা তার মনুষ্যত্বকে বিকাশ করতে না পারে, তার মানবিক গুনাবলী অর্জন করতে না পারে, তার যথার্থ চরিত্রায়ন সমাজে ধারন করতে না পারে এবং তার আদর্শে অন্যকে প্রদর্শিত করতে না পারে তবে সেই শিক্ষা তার ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় জীবনে পর্যন্ত কোন কাজে আসবে না।
মেধাহীন কে মেধাবী করে গড়ে তুলা শিক্ষার ধর্ম।  মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটিয়ে শিক্ষার্থীকে যুগোপযোগী বাস্তবসম্মত শিক্ষা প্রদান করা হল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মৌলিক কাজ।
আসল শিক্ষা হল F(failure) কে – (বিয়োগ) করে ছাত্রদের কে E করা ( Educated) করা।
মারুফ উদ্দীন নীরব