পুরনো মোবাইল ফোন

অনেকের কাছেই পুরনো মোবাইল ফোন জমা হচ্ছে। এসব ফোন বিক্রি করলেও তেমন দাম পাওয়া যায় না। আবার কোনো কাজেও লাগে না। আপনার কাছে যদি এমন কোনো মোবাইল ফোন থাকে তাহলে আজই তা ৭টি কাজে লাগান। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

১. সিসি ক্যামেরা

এ জন্য প্রথমেই প্রয়োজন একটি ফোন প্রয়োজন। এর সবকিছু নষ্ট থাকলেও ক্যামেরাটি ভালো থাকতে হবে। বাড়ির বাইরে যে স্থান দেখতে চান, তার দিকে তাক করে রাখুন মোবাইলের ক্যামেরাটি। ব্যস, হয়ে গেছে সিকিউরিটি ক্যামেরা।
এ ছাড়া যারা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করেন, তারা ‘সেলিয়েন্ আই’ নামের অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। দারুণ কাজের অ্যাপ। এটি আপনার ক্যামেরার ফ্রেমে যেকোনো নড়াচড়া ধরবে এবং মেসেজ করে তা পাঠিয়ে দেবে। এর সঙ্গে ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে হাতে থাকা ফোনটিতে সহজে মেসেজ দেখতে পারবেন। নতুন বা পুরনো আইফোন দিয়ে আরো বেশি সুবিধা পেতে পারেন। ‘সেলিয়েন্ট আই’-এর মতোই অ্যাপ রয়েছে আইফোনে। ক্যামেরায় নড়াচড়া ধরা পড়লে তা রেকর্ড করবে অ্যাপটি।

২. ডিজিটাল ফটোফ্রেম
পরিবারের প্রিয়জনদের বিভিন্ন ছবি কিংবা নিজের ছবি ফটোফ্রেমে রাখতে অনেকেই পছন্দ করেন। প্রযুক্তির এই যুগে বাজারে আছে ডিজিটাল ফটোফ্রেম। যদি আপনার কাছে ডিজিটাল ফটোফ্রেম না থাকে, তাহলে আপনার পুরনো স্মার্টফোনটি ব্যবহার করতে পারেন ডিজিটাল ফটোফ্রেম হিসেবে। অ্যাপ্লিকেশন ‘ডেফ্রেম’ ব্যবহার করে তৈরি করা যাবে এই ফটোফ্রেম। নির্দিষ্ট সময় পর পর ছবি পরিবর্তনও হবে। চাইলে সুন্দর কেসিং ব্যবহার করে টেবিল কিংবা বিছানার পাশে রাখা যেতে পারে ডিভাইসটি। এ ক্ষেত্রে স্মার্টফোনটি ফ্যাবলেট (যেসব স্মার্টফোনের পর্দা ৫.০১ থেকে ৬.৯ ইঞ্চি হয়) হলে ভালো হয়।

৩. কম্পিউটারের রিমোট
টেলিভিশনকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয় রিমোট। কম্পিউটারের জন্য সাধারণত তেমন আলাদা কোনো রিমোট ব্যবহারের প্রচলন নেই। তাই বলে কি থেমে থাকবে দূর থেকে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের মজা? স্মার্টফোনে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের মাধ্যমে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় কম্পিউটার। এর জন্য রয়েছে ‘কম্পিউটারের রিমোট’ কিংবা ‘ডেস্কটপ রিমোট’ নামে বেশ কিছু অ্যাপ্লিকেশন। এই অ্যাপগুলো ইনস্টল করে খুব সহজে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে কম্পিউটার।

৪. মিডিয়া প্লেয়ার
সংগীতপ্রেমীরা গান শুনতে পছন্দ করেন। কিন্তু স্মার্টফোনগুলোতে বেশি গান শুনলে চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ফোনকল মিস হতে পারে। গান শোনার জন্য আদর্শ ডিভাইস হলো এমপিথ্রি প্লেয়ার। পুরনো স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে এমপিথ্রি প্লেয়ার হিসেবেও। এ জন্য মেমোরি বাড়িয়ে নিতে হবে। ভালো মানের একটি হেডফোন কিংবা জ্যাক কিনে পুরনো স্মার্টফোনটি পরিণত করুন মিডিয়া প্লেয়ারে।

৫. ই-বুক রিডার
বইপ্রেমীরা পুরনো স্মার্টফোনটি ই-বুক রিডার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। ই-বুক বিভিন্ন ফরম্যাটে পড়ার জন্য রয়েছে অ্যাপ্লিকেশন। সেসব অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে খুব সহজে ই-বুক রিডারের মতো পড়া যাবে যেকোনো বই। অ্যামাজন, ই-বুক রিডার, ই-জেড রিডার, মুন রিডারসহ নানা অ্যাপ রয়েছে প্লেস্টোরগুলোতে।

৬. অ্যালার্ম ঘড়ি
অ্যালার্ম ঘড়ি হিসেবে যেকোনো মোবাইল ফোনেই কিছু ফিচার থাকে। এ ফিচারগুলো ব্যবহার করে অ্যালার্ম ও সময় দেওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

৭. শিশুর খেলনা
শিশুরা খেলার জন্য ডিজিটাল ডিভাইস খুবই পছন্দ করে। এগুলোতে নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষামূলক অ্যাপ ইনস্টল করে তাদের খেলার জন্য রাখা যেতে পারে।