বাংলাদেশ

শুরু আর শেষের গল্পটা প্রায় একই ধরনের। পিনাক-সাইফ-শান্তদের হারিয়ে যুবাদের দল তখন খাদের কিনারে। ভালো শুরু করেও জয়রাজ-জাকিররা ক্যারিবীয় বোলারদের দাপটে টিকতে পারেন নি। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাইফুদ্দিনের ৮৫ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় জুনিয়র টাইগাররা।

তবে শেষরক্ষাটা করতে পারেননি এই দুই তরুণ। ইনিংসের শেষের দিকে ঘুরে এল শুরুর গল্পটা। উইন্ডিজ বোলাদের উপর চড়াও হয়ে খেলতে গিয়ে উল্টো বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। মিরাজ-সাইফুদ্দিন বিদায় নিলে শেষ ৫ ওভারে মাত্র ২৮ রান তুলতে পারে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটনম্যানরা।
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শেষ পর্যন্ত উইকেটে ২২৬ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২২৭ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ। সবোর্চ্চ ৬০ রান করেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। এছাড়া সাইফুদ্দিন ৩৬ ও জয়রাজ ৩৫ রান করেন। বৃহস্পতিবার সকালে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ১০ রানের মাথায় বিদায় নেন পিনাক ঘোষ; সাইফ হাসান আউট হন ২৭ রানের সময়।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলেই পিনাক ঘোষ আউট হন কোনো রান না করে। ১০ মোকাবেলা করে কেমার হোল্ডারের বলে পলের হাতে ধরা পড়েন পিনাক।
সপ্তম ওভারের প্রথম বলে বিদায় নেন সাইফ হাসান। ১৬ বলে করেন ১০ রান করে ক্যারিবীয় বোলার জোসেফের বলে গোলির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেন সাইফ। দলীয় ৫৮ রানে নাজমুল হোসাইন শান্ত, ৮৮ রানে জয়রাজ শেখ ও ১১৩ রানে জাকির হাসান সাজঘরে ফিরেন।
৫৪ বল মোকাবেলায় জয়রাজের সংগ্রহ আজ ৩৫ রান। শান্ত ১১ ও জাকির ২৪ রান করেন। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা শেষের দিক ব্যর্থ হলে ২২৬ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
২ ওভারে ১১ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন কেমো পল। এছাড়া হোল্ডার ও স্প্রিঙ্গার নেন দুটি করে উইকেট।