কওমী মাদ্রাসা

কওমী মাদ্রাসা সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃবৃন্দরা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন কওমী মাদ্রাসা কারো বাপ-দাতার সম্পদ নয় যে, চাইলে মন মত করে তাবেদার সংস্থায় পরিণত করা যাবে। কওমী মাদ্রাসা তথা উপ মহাদেশের সাধারণ জনগণ ও তৌহিদী জনতার মুষ্টি চাউল ও রক্তজরা হালাল উপার্জনের চাঁদার টাকা এবং আন্তরিকতার ফসল। এদেশের কোটি কোটি মুসলমান নর-নারীর ঈমান আক্বিদা ইসলামী তাহজিব তামাদ্দুন সংরক্ষণের প্রতীক হচ্ছে- কওমী মাদ্রাসা। এসব স্পর্শকাতর ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহ ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ এর মত নামধারী দরবারী মোল্লা সময়ের আকবরী দরবারের আবুল ফয়েজ মার্কা কুলাংঙ্গারের হাতে জিম্মি হতে দেয়া যায় না। নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, বাংলাদেশে ২০০ বৎসর ধরে কওমী মাদ্রাসার ইতিহাস অতি গৌরবের ও আস্থাভাজন হয়ে সাধারণ আমজনতার ঘরে ঘরে হৃদয়ের গহীনে স্থান করে নিয়েছে। এসব মাদ্রাসাকে নিয়ে ফরিদ উদ্দিন মাসঊদ এর মাধ্যমে যদি সরকার লুকোচুরি খেলে তাহলে বাংলাদেশের মুসলিম জনতা তা সহজে মেনে নেবে না। নেতৃবৃন্দরা আরো বলেন, সরকারের বুঝা উচিত কওমী সনদের স্বীকৃতি বা সনদের মান যদি সরকার আন্তরিকভাবে দিতে চায়। তবে কওমী মাদ্রাসার গ্রহণযোগ্য প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মাধ্যমে দিতে হবে। তাহলে সরকারের দেওয়াটাও যগোপযুক্ত হবে। আর তা না করা হলে সরকারের যতই আন্তরিকতা হোক না কেন ? তা অপাত্রে ঘি ঢালা সামিল হবে। নেতৃবৃন্দরা বলেন, গত কয়েকদিন আগে সরকার কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারি করে ফরিদ উদ্দিন মাসাঊদ কে আহবায়ক করে ৯ (নয়) সদস্য বিশিষ্ট যে কমিশন গঠন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন শয্যাশায়ী রোগী ও জীবনের শেষ অবস্থায় উপনীত যারা মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতেও সক্ষম না এবং ইতি মধ্যে বলেছেন যে, কমিশনে তাদের নাম দেওয়া হয়েছে তা তারা জানে না এবং তাদের মতামতও নেওয়া হয় নাই। তাই তারা কমিশনের আহবানে কাজ করতে অপারগ। এতদ সত্তে¡ও ফরিদ উদ্দিন মাসাঊদ কওমী মাদ্রাসার ওলামায়ে কেরামের শক্তিকে বিভক্তি ও ন্যস্যাত করার তাড়াহুড়া করে সরকারের আজ্ঞাবহ ২/৪ জনকে সামনে দেখিয়ে মোটা অংকের কিছু পাওয়ার আশায় কওমী মিল্লাতকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য এই কমিশন গঠন করিয়াছেন, যা কওমী মাদ্রাসা সহ বেফাক প্রত্যাখান করেছেন। ফরিদ উদ্দিন মাসাঊদ এর মাধ্যমে স্বৃীকৃতি দিলে সরকারের প্রয়াস সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে যাবে এবং ৪০ হাজার কওমী মাদ্রাসা রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। এই প্রসঙ্গে, সরকারের সুবুদ্ধির উদয় হবে আশা করছি। বিবৃতি দাতারা হলেন- কওমী মাদ্রাসার সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, সহ সভাপতি আল্লামা শামসুল আলম, আল্লামা মোজাফ্ফর আহমদ, আল্লামা মোঃ ইদ্রিস, আল্লামা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা তাজুল ইসলাম, আল্লামা লোকমান হাকিম, আল্লামা আশরাফ আলী, আল্লামা আক্তার হোসেন, আল্লামা আবু তাহের ফারুকী, সেক্রেটারি  মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা মুফতি আবদুল ওহাব, মাওলানা মুফতি ফখরুল ইসলাম, মাওলানা এহতে শামুল হক, মাওলানা ইলিয়াছ ফারুকী, মাওলানা আহমদ উল্লাহ, মাওলানা মোজাম্মেল হক, মাওলানা ফয়সাল, মাওলানা জোনাইদ, মাওলানা নেজাম উদ্দিন, মাওলানা হেলাল উদ্দিন, মাওলানা জামানুল আনোয়ার, মাওলানা ইউনুছ, মাওলানা জাকারিয়া, মাওলানা আনোয়ার প্রমুখ।

বিঃ দ্রঃ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ,চাকরি এবং বিজনেস  নিউজ ,টিপস ও তথ্য নিয়মিত আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বাংলার জব  এ ।