চট্টগ্রামের বেসরকারি মেডিকেল কলেজ, এমবিবিএস কোর্স, মেধাবী কোটা, ছাত্র-ছাত্রী , প্রশ্ন

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়/স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০১২২০১৩ সেশনে এমবিবিএস কোর্সে ৫% অস্বচ্ছল ও মেধাবী কোটায় ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির ক্ষেত্রে জাতীয় ভর্তি পরীক্ষার মেরিট স্কোর ১১০ থেকে তদুর্দ্ধ নির্ধারণ করে পরিপত্র জারী করে। আগ্রহী ছাত্রছাত্রীদেরকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্দিষ্ট ফরমে পছন্দের কলেজে আবেদন করার সুযোগ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী এ কোটায় ছাত্রছাত্রীরা দেশের অন্যান্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজের মত চট্টগ্রামের ২টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ ও সাউর্দাণ মেডিকেল কলেজে আবেদন করে।

গত ২০ জানুয়ারী সাউর্দাণ মেডিকেল কলেজে সাক্ষাতকার গ্রহণ করা হয়। এর আগে হয় চট্টগ্রাম মা ও শিশুতে। সাউর্দাণ মেডিকেল কলেজে ৪০ জনের মত এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশুতে শতাধিক ছাত্রছাত্রী অভিভাবকসহ এ কোটায় সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করে। মা ও শিশুতে ৫ জন ওৃ সাউর্দাণে ৪ জন ছাত্রছাত্রী এ কোটায় ভর্তির সুযোগ দেয়া হয়। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে এ কোটায় ছাত্রছাত্রী যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি। প্রকৃত মেধাবী ও অস্বচ্ছল ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত হয়েছে। নীতিমালা অনুয়ায়ী এ কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে আবেদনপত্রে অস্বচ্ছলতার তথ্যাবলী এবং মেধাক্রম বিবেচনা করে অস্বচ্ছল কোটায় আসন সংখ্যা ১ : ৪ অনুপাতে শর্ট লিষ্ট করা, আবেদন ফরমের চাহিদা মূলে প্রাপ্ত প্রার্থীর বার্ষিক আয়, অস্থাবর সম্পত্তি, স্থাবর সম্পত্তির উপর মানসূচকে অস্বচ্ছলতার মাত্রা নির্ধারণ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে এ দু’কলেজে যাদেরকে ভর্তির জন্য বাছাই কিংবা ভর্তি করা হয়েছে তাদের অভিভাবকের আয় সংক্রান্ত ননজুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে হলফনামা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। অনেকে স্বচ্ছল হয়েও অস্বচ্ছল সেজেছে। ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির সুপারিশ ও যোগাযোগ এবং প্রভাবে কম মেধা স্কোর ও স্বচ্ছল ছাত্রছাত্রীরা বাছাই হয়েছে শুনা যাচ্ছে। পূর্বে এ কোটায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়/স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ছাত্রছাত্রী বাছাই নির্ধারণ করে দেয়াটা সঠিক ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। এ অস্বচ্ছল মেধাবী কোটায় ছাত্রছাত্রী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যদি অনিয়ম হয় তাহলে ভর্তি কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এমনটা যদি হয় সঠিক তদন্ত প্রয়োজন। এ ব্যাপারে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

ছাবের আহমদ, জলদী, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম।