পরিবার পরিকল্পনা, মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্ট, শিক্ষাক্রম

Medical Assistant Training School (MATS) হল গ্রাম বাংলার জনগণের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার সেবার লক্ষ্য নিয়ে- ১৯৭৬ সালে সরকার প্রথম মধ্যম মানের চিকিতসক তৈরীর উদ্দেশ্যে  ৩ বছর  মেয়াদী বাংলাদেশ রাস্ট্রীয় চিকিত্সা  অনুষদ ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে।এই কোর্সের নাম Medical Assistant Training Course যা State Medical Faculty থেকে এই ডিপ্লোমা প্রাপ্ত চিকিত্সকগণ বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তিক রেজিষ্ট্রেশন/লাইসেন্স প্রাপ্ত মধ্যম মানের চিকিত্সক।বাংলাদেশের ৬৮,০০০ গ্রামের প্রায় ১৬ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার  জন্যই মূলত এই চিকিতসা শ্রেণী তৈরী হয়।১৯৭৬ সালে কোর্স চালু হলে পরবর্তীতে ১৯৭৯ সাল থেকে গ্রাম/ইউনিয়ন এবং উপজেলা-লেভেলে নিয়োগ প্রাপ্ত মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্টগণ গ্রাম বাংলার মানুষের চিকিত্সা সেবা/ তথাস্বাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছে।মানুষের যে কোন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সমস্যার কারণে  বহুউচ্চ ডিগ্রি প্রাপ্ত ডাক্তার রয়েছেন যারা বেশীর ভাগই শহরাঞ্চলে বসবাস করেন।ফলে গ্রামের মানুষ তাদের স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রাথমিক যে ডাক্তারদের সহযোগীতা পায় তাহারা হলো এই বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত ডিপ্লোমা ডাক্তার।মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্সধারী ডাক্তার গ্রামের মানুষের কাছে আজতাদের পরিচিতির প্রয়োজনীয়তা বিশেষ ভাবে লক্ষণীয় ।তাদের সেবায় মানুষ সন্তুষ্ট।Medical Assistant Training Course সম্পন্নকারীগণ কে সরকার Diploma of Medical Faculty (DMF) ডিগ্রি দিয়ে থাকে।সরকারী পর্যায়ে MATS কোর্স করার জন্য প্রথমে ৮ টি প্রতিষ্ঠান খোলা হয়। পরবর্তিতে বাড়িয়ে ১৮ টি করা হয় এবং তাহা পরবর্তিতে কমিয়ে ৭ টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই শিক্ষা প্রদান করা য়।পরবর্তিতে ২০১২ সালে ৮ টি প্রতিষ্ঠান করা হয়।যাহা সমাজের চাহিদার তুলনায় খুবই কম বিধায় সরকার উক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা বেসরকারী পর্যায়ে শুরু করার অনুমোদন দিয়েছেন।

MATS-দের কর্মক্ষেত্র : ২০০৯ সালেশুধুমাত্র সরকারী ভাবে চাকুরীর পোষ্ট খালি ছিল ৯০০০ হাজার এর উপরে।MATS কোর্স সম্পন্নকারীকে DMF সার্টিফিকেট প্রদান করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিত্সা অনুষদ। DMF  ডিগ্রি প্রাপ্তরা সহকারী ডাক্তার। ডিগ্রি প্রাপ্তদের সহকারী বলার কারণ  সরকারের পল্লী চিকিত্সক  কার্যক্রম থেকে কিছু প্রাথমিক (Grass Root) পর্যায়ের চিকিত্সক  শ্রেণী গ্রামের বিভিন্ন মহল্লায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।DMF ডিগ্রি প্রাপ্তরা বহু ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে থাকে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের  অধীনে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে,বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রে,ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে,স্কুল হেলথ ক্লিনিক,বিভিন্ন আধা-সরকারী/কর্পোরেশন- যেমন- তিতাসগ্যাস, বি,আই,ডব্লিউ,টি,সি, বিজিপ্রেস,বাংলাদেশ বিমান ইত্যাদি ছাড়াও বিভিন্নএনজিও প্রতিষ্ঠানে যেমন- ব্রাক,গণস্বাস্থ্য,কেয়ার,গণসাহায্য সংস্থা, আই সি ডিডিআর্বি, Save the Children(USA)/(UK). ইহা ছাড়াও দেশী বিদেশী নানা প্রতিষ্ঠানে DMF ডিগ্রিপ্রাপ্তগণ  নিয়োগ পেয়ে থাকে।ভবিষ্যতে আরও নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরী হবে।২০০৯ সালে শুধু সরকারী পর্যায়ে নিয়োগ দেয়ার জন্য যথেষ্ঠ সংখ্যক DMF ডিগ্রিধারী না থাকায় বার বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েও আসন খালি থেকে গিয়েছিল।এই সমস্যা সমাধানের জন্যই সরকার বেশী সংখ্যক DMF ধারী ডাক্তার তৈরীর জন্য বেসরকারী পর্যায়ে শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা শুরু করেছে।বলতে গেলে বর্তমানে এবং সামনে DMFসার্টিফিকেট নিয়ে যথেষ্ঠ চাকুরীর সুযোগ রয়েছে।আবার চাকুরী না করলেও একজন DMF ডাক্তার প্রাইভেট প্রাকটিশনার হিসাবে শহরে বন্দরে কিংবা গ্রামে ডাক্তারী করে মাসে ভালো পরিমাণ  অর্থ রোজগার করতে পারবে যাহা একটা ভালো চাকুরীর চেয়ে কোন অংশে কম নয়।সরকারী চাকুরীতে DMF-দের Sub-Assistant Community Medical Officer বা উপ-সহকারী চিকিতসা কর্মকর্তা অথবা Medical Assistant হিসাবে এবং বেসরকারী ক্ষেত্রে নানাবিধ পদে চাকুরীতে নিয়োগ দেয়া হয়।এক কথায় কোর্স সম্পন্ন করলে ১০০ •/• নিশ্চিত চাকুরী অথবা আত্ম কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

MATS/DMF-দের পরিসংখ্যান: দেশে ২০০৯ সাল অনুযায়ী প্রায় ৫ হাজার সরকারী নিয়োগ প্রাপ্ত মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্ট ছিল।সরকারি প্রতিষ্ঠানে (২০১২-২০১৩ ইং সেশন) অনুযায়ী মাত্র ৭১৬ জন পাশ করে বের  হয়ে থাকবে  যদি কেউ  ফেল না করে।অথচ DMF ডাক্তারের প্রয়োজন রয়েছে অনেক।২০০৮ সালে সরকার বিজ্ঞাপন দিয়েও চাহিদা অনুযায়ী DMF ডাক্তার পায়নি।

সার্টিফিকেট প্রদান ও স্বীক্রিতি: MATS চার (৪) বছর মেয়াদী একটি শিক্ষাক্রম।চুড়ান্তভাবে কোর্স সম্পন্ন কারী শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ  মন্ত্রনালয়ের বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিতসা অনুষদ সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।সরকারী প্রতিষ্ঠান পাশ করা DMF এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীগণ  একই সার্টিফিকেট পেয়ে থাকেন।

Bangladesh Medical & Dental Council (BMDC) এর রেজিষ্ট্রেশন : চিকিত্সা  শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ পরিচিত ব্যাচেলর ডিগ্রি হলো MBBS। কোন মেডিকেল কলেজ থেকে MBBS পাশ করা হলে অথবা বিদেশে MBBS ডিগ্রি গ্রহণ  করা হলেও তিনি দেশে চিকিতসা পেশায় নিয়োজিত হতে পারবেন না,যতদিন না পর্যন্ত Bangladesh Medical & Dental Council (BMDC) থেকে চিকিত্সক  হিসাবে পেশাজীবি সনদপত্র বা রেজিষ্ট্রেশন না পাবেন। MATS কোর্স সম্পন্ন কারিগণ  সেই BMDC থেকে চিকিতসা করার জন্য সনদপত্র বা রেজিষ্ট্রেশন পেয়ে থাকেন।

ইন্টার্নশীপ: চিকিতসা পেশায় তত্তীয় শিক্ষার গুরুত্ব যতটা বেশী তার  চেয়ে বেশী গুরুত্ব বহন করে হাতে কলমে শিক্ষা যা ইন্টার্নশীপ হিসেবে পরিচিত ।যেমন- MATS কোর্সের চতুর্থ বর্ষে বিভিন্ন হাসপাতালে হাতে-কলমে রোগী পর্যবেক্ষণ ,রোগ নির্ণয় চিকিত্সা  দেয়া সহ রোগীর অন্যান্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ের উপর সরাসরি হাতে-কলমে শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করে থাকে।বিভিন্ন নাম করা হাসপাতাল এবং থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলিতে ইন্টার্নী করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।*MATS পাশ ছাত্র-ছাত্রীরা সরকারি চাকুরির ক্ষেত্রে SACMO (স্যাকমো)পদে চাকুরী করে থাকেন। SACMO=Sub-Assistant Community Medical Officer (উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার) MATS পাশদের DMF ডাক্তার বলে।

২০১২-১৩ ইং সেশনের ম্যাটস কোর্স এর সিলেবাস ও কারিকুলাম নিচে দেয়া হলো: (কোর্স কারিকুলাম) 1st year: 1)Basic English 2)Basic Computer Science 3)Basic Community Health & Medical Ethics 4)Basic Anatomy & Physiology 2ndyear: 1)Pharmacology 2)Microbiology & Pathology 3rd year: 1)Community Medicine & Health Management 2)Obstetrics and Gynecology 3)Surgery 4) 5)4th year: Interny

Medical Assistant Training Course সম্পন্ন কারীগণকে এই ডিগ্রী দেয়া হয়।তাদেরকে DMF ডাক্তার বলা হয়। *MBBS=Bachelor of Medicine & Bachelor of Surgery *BMC=Bangladesh Medical College*BMDC=Bangladesh Medical & Dental Council। BMDC থেকে চিকিতসক হিসেবে পেশাজীবি সনদপত্র বা রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়।

Abbreviation (শব্দসংক্ষেপ): *IRR=Infrared Radiation. *IFT=Inter Ferential Therapy.*ICU=Intensive Care Unit. *CCU=Coronry Care Unit. *EU=Emergency Unit (জরুরি বিভাগ) Vocabulary: *Anatomy=অংগ সংস্থান  বিদ্যা। *Physiology=শারীরবিদ্যা। *Community Medicine=*Microbiology= *Radiologist= *Nuclear Medicine Technology= *Radiotherapy Technology= *Diagnostic Radio logical Technology= *AIDS=Acquired Immune Deficiency Syndrome.

ল্যাবরেটরী মেডিসিন/প্যাথলজি: রোগীর রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।যক্ষা,কুষ্ঠ বিভিন্ন মারাত্বক রোগ ল্যাব টেকনোলজিস্টরাই নির্ণয় করেন।এছাড়া blood,urine,Diabetics সহ বিভিন্ন প্রকার পরীক্ষায় ল্যাব টেকনোলজিষ্টের ভূমিকা অনস্বীকার্য।Course শেষ করার পর Lab Technologist দের জন্য রয়েছে সরকারীসহ বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে কাজের অনবদ্য সুযোগ।

ফার্মেসি (Pharmacy) : হেলথ সায়েন্স ও কেমিক্যাল সায়েন্সের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় ফার্মেসি বিষয়টার অবস্থান।এবং এই একটা পেশায় একজন ফার্মেসিস্টের দায়িত্ব নিয়ম মত ঔষধের ব্যবহার নির্দিষ্ট করা।তাছাড়া ক্লিনিক্যাল প্রাকটিস মেডিসিন রিকিউ এবং ড্রাগইনফরমেশনের মত সেবামুলক পেশার মধ্যেই  পড়ে।

ফিজিওথেরাপী: শারীরিকভাবে ভাবে অক্ষম,দূর্ঘটনা কবলিত ও Paradised  রোগিদের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপী টেকনোলজিস্ট গণ বিভিন্ন ধরনের চিকিতসা দিয়ে থাকেন।এরা সরকারী চাকুরীর পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে ফিজিওথেরাপী সেন্টার করতে পারেন। ফিজিওথেরাপিস্টগণ যে সমস্ত রোগের consult করে থাকে- *Strock *Back Pain *Neek Pain Posture Problem *Joint or muscles pain *Arthritis *Breathing problem such as asthma

রেডিওথেরাপী: ঘাতক ব্যাধি ক্যান্সারের আক্রান্ত রোগীদের জীবনের স্বাভাবিকতা আনয়নে রেডিওথেরাপীস্টগণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ   ভূমিকা রাখেন।যেমন- LINER,X-RAY,SIMULATOR,COBLAT-60 ইত্যাদি করে থাকেন।

Dental: মুখও দাতের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ডেন্টাল টেকনোলজীস্টগণ গুরুত্বপূর্ণ সেবা প্রদান করেন।তারা প্রধানত দাত বাধানো,উঠানো,স্কেলিং,ফিলিং,RCT ইত্যাদি করে থাকেন।এরা সরকারি চাকুরির পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভাবে দন্ত  চিকিতসা কেন্দ্র খুলতে  পারেন।

Department of Dental Technology : ডেন্টালটেকনোলজীতে কেন পড়বেন ? বাংলাদেশেবর্তমানে মাত্র ৭ টি সরকারী হেলথ টেকনোলজী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।এই ৭ টি প্রতিষ্ঠানে৩৫৫ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হবার সুযোগ পায়।পক্ষান্তরে বাংলাদেশে ১ টি সরকারি ডেন্টাল কলেজ এবং দুটিডেন্টাল ইউনিটে (রাজশাহী ও চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাথে ) ২০০ জনছাত্র-ছাত্রী ডাক্তার হবার সুযোগ পায়।সেক্ষেত্রে ডাক্তারদের তুলনায় সরকারি IHTসমূহে অনেক কম সংখ্যক ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট হবার সুযোগ পায়।যদিও ডাক্তারদের তুলনায় ডেন্টাল টেকনোলজিস্টদের প্রয়োজনীয়তা দ্বিগুনেরও বেশী। এই অল্প সংখ্যক ডেন্টাল টেকনোলজিষ্ট মূলত বাংলাদেশের চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য যা চাহিদা ও সরবরাহের ব্যাপক ব্যবধান তৈরী করেছে।যার ফলে সরকারী ও বেসরকারী খাতে ডেন্টাল টেকনোলজিষ্টদের যথেষ্ঠ পদ শূন্য রয়েছে। ডেন্টালটেকনোলজীতে যেসব ল্যাব থাকা প্রয়োজন: 1) Anatomy Lab 2) Physiology Lab 3)Community Medicine Lab 4) Micro Biology Lab 5) Computer Lab 6) Prosthetic Lab7) Orthodontic Lab 8) Physics Lab 9) Chemistry Lab

Job Opportunity: সফলভাবে কোর্স সমপন্নকারীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যাপক ক্ষেত্র বিদ্যমান :- (১)বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী ডেন্টাল কলেজ ও স্নাতকোত্তর চিকিতসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ। (২)সরকারি ও বেসরকারী ডেন্টাল কলেজ হাসপাতাল,মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,বিশেষায়িত হাসপাতাল,জেলা ও উপজেলাহাস পাতাল গুলোতে নিয়োগ। (৩)বেসরকারীডেন্টাল ক্লিনিকে ডেন্টাল সার্জনদের সহকারী হিসাবে নিয়োগ। (৪)বিদেশে চাকুরীর সুযোগ। (৫)আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ। উল্লেখ্য সরকারী প্রতিষ্ঠানে ডেন্টাল টেকনোলজিষ্টদের বর্তমান স্কেল: টাকা /= সর্বসাকূল্যে  /=

ডেন্টাল টেকনোলজী এর উচ্চ শিক্ষা : চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ডেন্টাল টেকনোলজী কোর্স সমপন্ন করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিএস সি ইন হেলথ টেকনোলজী (ডেন্টাল- চার বছর মেয়াদী ) সমপন্ন করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও দেশের বাইরে উচ্চতর ডিগ্রীগ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে।

ল্যাবরেটরীমেডিসিন/প্যাথলজি: রোগীর রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একজন ল্যাব টেকনোলজিস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেথাকে।যক্ষা,কুষ্ঠ বিভিন্নমারাত্বক রোগ ল্যাব টেকনোলজিস্টরাইনির্ণয় করেন।এছাড়া blood,urine,Diabetics সহ বিভিন্ন প্রকার পরীক্ষায়ল্যাব টেকনোলজিষ্টের ভূমিকা অনস্বীকার্য।Course শেষ করার পর Lab Technologist দের জন্য রয়েছে সরকারীসহ বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতালে কাজের অনবদ্য সুযোগ। যে কোন মানুষ অসুস্থ হলেই তাকে ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হতে হয় আর তখন ডাক্তারের চিকিতসা করার জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক রোগ নির্ণয়ের কাজটাই করে একজন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট।সঠিক রোগ নির্ণয় না হলে মানুষ অনেক ভোগান্তির শিকার হয় এমনকি শেষ পর্যন্ত মারাও যেতে পারে।মেডিক্যাল ল্যাবরেটরীর টেকনিশিয়ানরা এদের চেয়ে এক ধাপ নিচে।সাধারনত এক বা দুই বছরের সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করে টেকনিশিয়ান হয়।কিন্তু চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হয়। মূলত টিস্যু,রক্ত,মল,মানব শরীরের অন্যান্য পদার্থ পরীক্ষা করতে হয় এবং কাজের ফলাফল জানতে হয় সংশ্লিস্ট চিকিত্সক কে।এছাড়া ল্যাবরেটরী সংক্রান্ত সব বিষয়েই দক্ষ হতে হবে।স্পেশালাইজেশন করা যায় মাইক্রো বায়োলজি,হেমাটোলজি,ইউরিন এনালাইসিস,সেরোলজি,ক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রি,ট্রক্সিকোলজি,ভাইরোলজি,হিস্টোপ্যাথলজি এবং সাইটোলজি বিষয়ে মূলত এটি একটিপ্রফেশনাল ও সেবা মূলক কাজ।এই বিষয়ে পড়াশোনা করে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে অত্যান্ত ধৈর্য্য ও নিষ্ঠার সাথে পড়াশোনা করতে হবে।এই কোর্স সম্পন্ন করলে কাজের সুযোগ অনেক।একজন ছাত্র চাইলে চতুর্থ বর্ষ থেকে Interny এর পাশাপাশি Job করতে পারে। পাশ করার পর যে কোন ডায়াগন্টিক সেন্টার বা হাসপাতালে ভাল বেতনে চাকুরী শুরু করতে পারে।শুধুমাত্র Diploma সম্পন্ন করে চিফটেকনোলজিষ্ট,ডিপার্টমেন্টাল সুপার ভাইজার,ল্যাব ইনচার্জ এবং ল্যাব সাইনটিস্ট অফিসার পর্যন্ত হওয়া  যায়।

উচ্চশিক্ষার সুযোগ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এ IHT সমূহে B.Sc in Health Technology (Pathology) কোর্স চালু রয়েছে (৪ বছর মেয়াদী)।যার ফলে প্যাথলজি টেকনোলজিতে যারা ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করবেন তাদের Bachelor Degree অর্জনের বিশেষ সুযোগ তৈরী হয়েছে।এছাড়া দেশের বাইরে উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহনের ব্যাপারে সুযোগরয়েছে। প্যাথলজিটেকনোলজি পড়তে যেসব ল্যাব থাকা প্রয়োজন: 1) Anatomy Lab 2) Physiology Lab3) Community Medicine Lab 4) Micro Biology Lab 5) Bio-Chemistry 6) HistoPathology 7) Computer Lab 8) Physics Lab 9) Chemistry Lab
চাকুরীর ক্ষেত্র সমূহ:১)সরকারী/বেসরকারী মেডিকেল কলেজ সমূহেটেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ২)সরকারী/বেসরকারী হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটেল্যাব ইন্সট্রাকটর হিসাবে নিয়োগ। ৩)সরকারী/বেসরকারী হাসপাতালে টেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ৪)ক্লিনিক/ডায়াগনস্টিকসেন্টারে টেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ৫)বিদেশে চাকুরীর সুযোগ। ৬)আত্ম কর্মসংস্থানেরসুযোগ। (7) ফার্মেসি (Pharmacy): হেলথ সায়েন্স ও কেমিক্যাল সায়েন্সের ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় ফার্মেসি বিষয়টার অবস্থান।এবং এই একটা পেশায় একজন ফার্মেসিস্টের দায়িত্ব নিয়ম মত ঔষধের ব্যবহার নির্দিষ্ট করা।তাছাড়া ক্লিনিক্যাল প্রাকটিস মেডিসিন রিকিউ এবং ড্রাগ ইনফরমেশনের মত সেবা মূলক পেশার মধ্যেই  পড়ে।

ক্যারিয়ার গঠনে ফার্মেসির ভূমিকা: SSC তে জিপিএ ২.৫ পেয়ে পাশ করে যারা প্রথমত রাস্তা ছেড়ে প্রফেশনাল কোর্সে পড়াশোনা করতে চাও,তাদের জন্য ভাল খবর হল ভবিষ্যতে ভাল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য অল্প বয়সেই Diploma in Pharmacy কোর্সটি সম্পন্ন করে অনায়াসে একটি সরকারী অথবা বেসরকারী ভাল চাকুরী করতে পারবে।ফার্মাসিষ্ট হিসাবে মোটামুটি তোমরা চার ধরনের কাজ করতে পার: ১)রেটেলফার্মাসিষ্ট ২)ইন্ডাসট্রিয়ালফার্মাসিষ্ট ৩)হসপিটালফার্মাসিষ্ট ৪)রিসার্চফার্মাসিষ্ট সাধারণতএকজন Diploma Pharmacist কোর্স সমপন্ন করে চাকুরীর শুরুতেই বেশ ভাল বেতন পায়।এছাড়া ইন্ডাসট্রিয়াল ফার্মাসিষ্টের বেলায় শুরুতে একটু বেশী বেতন পাওয়া  যায়।এই চাকুরিটা যদি উচু দরের ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানী হয় সে ক্ষেত্রে শুরুতেই আরো বেশী বেতন হতে পারে। একটু চোখ কান খোলা রাখলেই বুঝতে পারবে ফার্মাসিষ্টের পেশার কাছে কিন্তু উর্ধ্বমুখী ।আমাদের জনসংখ্যা যেভাবে বাড়ছে আর মেডিকেল সায়েন্স এর উন্নতি যত দ্রুত হচ্ছে তার জন্য প্রতিদিনই আসছে বাজারে নতুন নতুন ঔষধ এতে ফার্মাসিষ্টদের চাহিদা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়তে বাধ্য।এছাড়া বিদেশের বাজারে বাংলাদেশের্ ঔষধ রপ্তানির সুযোগ যত বাড়ছে,ফার্মাসিষ্টদের পেশার গুরুত্বও তত বাড়ছে।Pharmacy পড়তে যে সমস্ত ল্যাব প্রয়োজন: 1)Anatomy Lab 2) Physiology Lab 3) Community Medicine Lab 4) Micro Biology Lab 5)Computer Lab 6) Pharmacy Lab 7) Physics Lab 8) Chemistry Lab

চাকুরির ক্ষেত্র সমূহ:১) সরকারী/বেসরকারী মেডিকেল কলেজ সমূহএবং সরকারী/বেসরকারী হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে নিয়োগ। ২) রিটেল ফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ৩)ইন্ডাসট্রিয়ালফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ৪)হসপিটাল ফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ৫)রিসার্চফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। ৬)বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীতে নিয়োগ। ৭) আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ। ৮)বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ। (8) ফিজিওথেরাপী: শারিরীকভাবে অক্ষম,দূর্ঘটনা কবলিত ও paralised রোগিদের ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপী টেকনোলজিস্ট গণ বিভিন্ন ধরনেরচিকিতসা দিয়ে থাকেন।এরা সরকারী চাকুরীর পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে ফিজিওথেরাপীসেন্টার করতে পারেন। What is Physiotherapy? Physiotherapy is a branch of healthcare science,that mainly concentrates on the physical aspects of an individual’s health-care,by treating their physical ailments.It works towards this by maintenance and re-habitation of the individual’s physical activity,which is nothing but bringing back the lost activity to near normal perfection.Physiotherapy uses physical agents for the treatment of patients. রোগ নিরাময়ে ফিজিওথেরাপিস্ট বিভিন্ন অত্যাধুনিকযন্ত্রপাতি ব্যবহার করেন তা হলো: *Ultrasound therapy *Infrared Radiation (I.R.R) *Short wave diathermy *Micro-wave dia therapy *Inter ferential therapy (I.F.T) *Hydrotherapy *Auto traction or manual traction *Wax therapy*Muscles stimulation *TENS ফিজিওথেরাপিস্টগণযে সমস্ত রোগের consult করেথাকে- *Strock *Back Pain *Neek Pain *Posture Problem *Joint or muscles pain *Arthritis(Osteo arthritis + Rheumatoid arthritis ) *Breathing problems such as asthma *Chronic bronchitis *Polio-myelitis *Post orthopedic cause*Degenerative diseases *Different cardio thoracic surgery *Cardiac Causes*Different gynecological *Intensive care Unit (I.C.U) and coronary care Unit(C.C.U) management. *Leprosy *Plastic surgical condition (Burn) *Cerebral Palsy etc. Physiotherapy পড়তে যে সমস্তল্যাব প্রয়োজন : 1) Anatomy Lab 2) Physiology Lab 3) Community Medicine Lab 4) Micro Biology Lab 5) Computer Lab 6) Physiotherapy Lab 7) Physics Lab 8)Chemistry Lab ফিজিওথেরাপী-এ উচ্চ শিক্ষার সুযোগ : ৪ বছর মেয়াদিডিপ্লোমা ইন ফিজিওথেরাপী কোর্স সম্পন্ন করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে,বিভিন্ন IHT তেবি এস সি ইন ফিজিওথেরাপী(৪ বছর মেয়াদীকোর্স) সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও দেশের বাহিরে Master of Physiotherapy (M.P.T) কোর্স করা যায়। Job Opportunity : * Different Medical college Hospital * District Hospital * Thana Hospital * Different Private Hospital / Clinlcs * NGO – Non-government Organization * Sports Club * Rehabilitation Center * Home care programs * As Research Assistants in Medical firms *Teaching International placements (USA,UK,Austria etc) (9) টেকনিশিয়ানও ডিপ্লোমা কোর্সধারীর মধে্য পার্থক্য: সাধারনত এক বা দুই বছরের সার্টিফিকেট কোর্সসম্পন্ন করে টেকনিশিয়ান হয়।কিন্তুচার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স করে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হয়। (10) What is X-Ray Technology? As a X-Ray/Radiology Technician, You are an important member of the health care tea. X-Ray technology is an important part of the health care system, aiding in the diagnosis and treatment of a variety of injuries and other health issues. As part of the curriculum you’ll possess the training and skill to X-Ray the chest,hand,wrist,forearm,elbow,knee,foot or ankle.Plus, the education will qualify you to perform elector-cardiograms,veni puncture,routine laboratory tests,injections,urinalysis,electrocardiography and X-Ray film Processing.Careers could include : Radiology technician,Ultrasound Technician,Lab MRI এক্স-রেটেকনোলজি পড়তে যেসব ল্যাব থাকা প্রয়োজন : 1) Anatomy Lab 2) Physiology Lab3) Community Medicine Lab 4) Micro Biology Lab 5) Computer Lab 6) Chemistry Lab7) X-Ray Lab উচ্চশিক্ষা : দেশের বাহিরে বি এস সি ইন মেডিকেল টেকনোলজি(এক্স-রে) এই বিষয়ে পড়তে পারেন।Job Opportunity : সফলভাবে কোর্সসম্পন্নকারীদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যাপক ক্ষেত্র বিদ্যমান :- (১) বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী মেডিকেল কলেজ অস্নাতকোত্তর চিকিতসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,সরকারীও বেসরকারী হেলথ টেকনোলজী প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ। (২)সরকারীও বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,বিশেষায়িতহাসপাতাল,জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে নিয়োগ। (৩)ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এক্স-রে টেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ। (৪) বিদেশে চাকুরীর সুযোগ। (৫)আত্ম কর্সংস্থানের সুযোগ। Other Related Careers : 1)Radiologist 2)Nuclear Medicine Technologist 3)Radiotherapy Technologist 4)Laboratory Physical Technologist 5)Diagnostic Radio logical Technologist (11)

www.dghs.gov.bd

ভর্তিবিজ্ঞপ্তি: বিজ্ঞপ্তি:২০১২-২০১৩ ইং শিক্ষা বর্ষে মেডিক্যাল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল(MATS)ও ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে (IHT) ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির বিজ্ঞপ্তি। ২০১২-২০১৩ ইং শিক্ষা বর্ষে স্বাস্থ্যঅধিদপ্তরের অধিনে  বাগেরহাট, কুষ্টিয়া, নোয়াখালি, সিরাজগঞ্জ, টাংগাইল, কুমিল্লা, ফরিদপুরও ঝিনাইদহে অবস্থিত৮ টি মেডিকেল ট্রেনিং স্কুল (MATS) এ ৩(তিন) বতসর মেয়াদি + ০১ (এক)বতসর ইন্টার্নশীপ মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং (DMF) কোর্সে এবং ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি (IHT) ঢাকা, রাজশাহী, বগুড়া, চট্রগ্রাম, বরিশাল, রংপুরও ঝিনাইদহে ৩ (তিন) বতসর মেয়াদী + ০১(এক) বতসর ইন্টার্নশীপ ডিপ্লোমা ইন মেডিকেল টেকনোলজি কোর্সে বিভিন্ন অনুষদেছাত্র-ছাত্রী ভর্তির জন্য নিম্নবর্ণিত শর্তাবলীসহ দর্খাস্ত আহবান করা হচ্ছে। ০১)প্রার্থিকেঅবশ্যই জন্মসূত্রে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। ০২)যারা ২০১০,২০১১,২০১২ ইং সনে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় পাশ করেছেনতারা আবেদনেরযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবে। ০৩)যে কোন শিক্ষা বোর্ড হতে বিজ্ঞান বিভাগেপদার্থ,রসায়ন ও জীব্বিজ্ঞানসহ SSC সমমানের পরীক্ষায় সকল বিষয়ে উত্তীর্নসহ নুন্যতমজিপিএ ২.৫০ হতে হবে। ০৪) SMS এবং on line এ IHTও MATS এআবেদন করার শুরুর তারিখ ২১.০৬.২০১২।আবেদনকরার শেষ তারিখ ১৪.০৭.২০১২। পরিক্ষার তারিখ ২৭.০৭.২০১২ শুক্রবার্।সময় ০১ ঘন্টা (১০-১১ টা)।আবেদন ফিস ৫০০টাকা। ০৫)যেকোন একটি সেন্টারে পরীক্ষা দিয়ে যে কোন IHT/MATS এরএকটি করে সর্বোচ্চদুইটি Institute এভর্তির জন্য পছন্দ দেওয়া যাবে।MATS এরসাবজেক্ট কোডSMS এ উল্লেখ করতে হবে না।একই SMS এ MATS এবংIHT উভয় বিষয়ে ভর্তির জন্য আবেদনগ্রিহিত হবে।Institute কোডএবং সেন্টার কোড একই ছক থেকে প্রয়োজন মোতাবেক ব্যবহার করা যাবে।একাধিক Instituteও চয়েজ কোটার দাবিদার হলে কমা (,)দিয়ে পর পর লিখতে হবে।০৬)আবেদন SMS এবং online একরতে হবে।

“রেজাউল করিম বিপ্লব”

Medical Assistant Training School (MATS) of Bangladesh(বাংলাদেশে MATS এর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা দেখুন ) –
Bagerhat Medical Assistant Training School (Bagerhat 1)
Faridpur Medical Assistant Training School (Faridpur 2)
Jhenaidah Medical Assistant Training School ( Jhenaidah 3 )
Kushtia Medical Assistant Training School (Kushtia 4)
Noakhali Medical Assistant Training School (Noakhali 5)
Sirajgonj Medical Assistant Training School (Sirajganj 6)
Tangail Medical Assistant Training School ( Tangail 7)