[fullwidth background_color=”” background_image=”” background_parallax=”none” enable_mobile=”no” parallax_speed=”0.3″ background_repeat=”no-repeat” background_position=”left top” video_url=”” video_aspect_ratio=”16:9″ video_webm=”” video_mp4=”” video_ogv=”” video_preview_image=”” overlay_color=”” overlay_opacity=”0.5″ video_mute=”yes” video_loop=”yes” fade=”no” border_size=”0px” border_color=”” border_style=”” padding_top=”20″ padding_bottom=”20″ padding_left=”” padding_right=”” hundred_percent=”no” equal_height_columns=”no” hide_on_mobile=”no” menu_anchor=”” class=”” id=””][fusion_text]

এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোন বিষয় ক্যারিয়ার করতে হবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক সবাই চিন্তায় পড়েন। তাই এ সময়ে বেছে নিতে হবে এমন একটি বিষয়, যেখানে শিক্ষাব্যয় কম হবে এবং যেখানে শিক্ষার্থীকে বেকার বসে থাকতে হবে না। আর বর্তমান সময়ে তেমনি একটি সম্ভাবনাময় পেশার বহুল প্রচারিত পেশা হলো মেডিকেল টেকনোলজি। চিকিৎসা সেবায় পেশা গড়া অন্য যেকোনো পেশার চেয়ে অধিক সম্মানজনক। কারণ এই পেশার সঙ্গে জড়িত রয়েছে মানবতাবোধ/সহমর্মিতাসহ হাজার বছর ধরেই এই পেশার মর্যাদা, সুযোগ-সুবিধার শীর্ষ অবস্থান। চিকিৎসা সেবায় মূলত ডাক্তারকে প্রাধান্য দেয়া হয়; কিন্তু একটি হাসপাতাল বা ক্লিনিক শুধু ডাক্তার দ্বারা পরিচালিত হতে পারে না। প্রত্যেকটি বিভাগে ডাক্তারদের সহকারী প্রয়োজন হয়। এসব বিশেষজ্ঞ কর্মীরাই মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে পরিচিত ও সমাদৃত।

চাহিদা ও কাজের ক্ষেত্র

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে প্রতি একজন গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকের বিপরীতে ৫-৬ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট-এর প্রয়োজন। বর্তমানে দেশে ইউনিয়ন, উপজেলা থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত প্রচুর সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদফতরের তালিকাভুক্ত ক্লিনিকের সংখ্যাও অনেক। আরও রয়েছে প্রায় ১৮০০০ কমিউনিটি ক্লিনিক, অসংখ্য বেসরকারি ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি। এসব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক সংখ্যক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দরকার। দেশে বর্তমানে প্রায় ১৪-১৫ হাজার ডিপ্লোমা টেকনোলজিস্ট কাজ করছেন। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও এই পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলোতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কাজের ব্যাপক সুযোগ আছে। এখানে কেবলমাত্র দরকার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা। সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিদেশে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের চাকরি সুবিধা অনেক ভাল। মনে রাখতে হবে, উন্নত দেশগুলোতে চিকিৎসা সেবার জন্য টেকনোলজিস্টদের সংখ্যা অপ্রতুল।

আয় কেমন?

সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা টেকনোলজিস্টদের চাকরি বেশ ভালো সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ২,০০,০০০ অধিক মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দরকার। একজন শিক্ষার্থী ন্যূনতম এসএসসি পাস করার পর মেডিকেল টেকনোলজির যে কোনো বিষয়ে তিন/চার বছরের ডিপ্লোমা শেষ করে সে যখন বের হচ্ছে তখন শুরুতে বেতন পাচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। পরবর্তীতে কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তা ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। নতুন নতুন চিকিৎসা বিজ্ঞানে যেমন ডায়ালায়েস, এমআরআই, ইনফারটিলিটি, টেস্টটিউব বেবী, সিটি স্কেন ও উন্নতমানের অপারেশন থিয়েটার (অটি) যুক্ত হওয়া। ফলে দক্ষ টেকনোলজিস্টদের চাহিদাও বাড়ছে।

পড়াশোনা

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে ন্যূনতম এসএসসি পাসের পর পছন্দের যেকোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারেন। বিষয়গুলো হলো আপাতত ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি), ডেন্টাল, ফার্মেসি, নার্সিং, ফিজিওথেরাপি, রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং ও প্যারামেডিকেল। কোর্সগুলো বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত। এসএসসি পাস করার পর তিন বছর মেয়াদী মেডিকেল টেকনোলজি প্রযুক্তি বিদ্যা শিক্ষাকোর্স গ্রহণ শেষে ১৮/২০ বছর বয়সেই মর্যাদাপূর্ণ সেবাধর্মী সম্ভাবনাময় পেশা, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হওয়ার সুযোগ যে কেউ গ্রহণ করতে পারে। এছাড়া উচ্চশিক্ষা গ্রহণ যেমন বিএসসি, এমএসসি সুযোগ রয়েছে আমাদের দেশেই। এইচএসসি পাস করার পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ডিপ্লোমা করা থাকলে বিএসসি কোর্সে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। কারণ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড হতে পাসকৃত ছাত্র-ছাত্রীরা পাসে বিজ্ঞানসহ সমমানের এইচএসসি বৈধ সার্টিফিকেট। ফলে যোগ্যতা বৃত্তিক মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়, ভ্যাটেরিনারী বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেন।

যোগ্যতা : যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসিতে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ পাওয়া সাপেক্ষে যে কোন ছাত্রছাত্রী তাদের পছন্দের একটি কোর্সে ভর্তি হয়ে সম্ভাবনাময় এ পেশা গ্রহণ করতে পারে। পড়াশোনা করা অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইন্টার্নশিপের সুযোগ রয়েছে। এই সময় আপনার বাস্তব কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে নিতে পারেন। একাডেমিক রেজাল্ট-এর পাশাপাশি আপনার কার্যদক্ষতা যতো ভালো হবে ততো ভালো অবস্থানে অথবা ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেতে পারেন।

কোথায় পড়বেন?

মেডিকেল টেকনোলজি বিষয়ে পড়ার জন্য সরকার কর্তৃক নিবন্ধনকৃত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনপ্রাপ্ত দেশে সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল (বিমস) সংশ্লিষ্ট কোর্সগুলো পরিচালনা করে আসছে। কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে (১) ডিপ্লোমা ইন ল্যাবরেটরি মেডিসিন (প্যাথলজি); (২) ফার্মেসি; (৩) রেডিওলোজি অ্যান্ড ইমেজিং; (৪) ডেন্টাল; (৫) ফিজিওথেরাপি; (৬) পেশেন্ট কেয়ার (নার্সিং) ও (৭) প্যারামেডিকেল। এখানে ভর্তি হয়ে শিক্ষার্থীরা শুরু করতে পারেন সময়োপযোগী ও সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ারের পথচলা। বিমস্্ প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব ভবনে অবস্থিত বাংলাদেশ সরকারের স্বীকৃত প্রথম মেডিকেল টেকনোলজি ইন্সটিটিউট। এতে রয়েছে যাতায়াতের উত্তম ব্যবস্থা, অভিজ্ঞ শিক্ষকম-লী, সমৃদ্ধি লাইব্রেরি, বিনোদন ব্যবস্থা। এছাড়াও ইংরেজি শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব সহকারে পরিচালনা করে আসছে। সর্বোপরি উত্তম শিক্ষাব্যবস্থা ও ভাল ফলাফল।

বি:দ্র: প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাগণের আন্তরিক সহযোগিতায় বিমস্্-এর ওয়েব সাইট থেকে ফরম নিয়ে ভর্তি হতে পারবে।  (িি.িনরসং-নফ.পড়স) বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল (বিমস্্) কারিগরি শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখা স্বীকৃতি স্বরূপ বিজনেস ইনেসিয়েটিভ ডাইভারশন কর্তৃক ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিটি ক্রাউন এ্যাওয়ার্ড, লন্ডন ২০১২ হতে ভূষিত হয়। পৃথিবীতে শিক্ষা, শিল্প, উদ্যোক্তাকে কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিমস্্সহ কেবলমাত্র ১৭টি দেশকে দুর্লভ স্বীকৃতি প্রদান করেছে। বিমস্্ গৌরবোজ্জ্বল সম্মান লাভের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল (বিমস্্), এন/২৩, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭। মোবাইল : ০১৭১৪৩০১৯২৫, ০১৯১৭১৬৩৩০৭, ০১৭৩০৯৫৫৭২৩

অধ্যাপক ডা. এম এ বাসেদ[/fusion_text][/fullwidth]