অর্থনৈতিক মুক্তি, বিজনেস, সফলতা

১. নমনীয়তা : আমার নিজের টাইমে কাজ করবেন।

২. পরিবারকে অনেক সময় দিতে পারবেন: আপনার পরিবার এবং বন্ধুদের অনেক সময় দিতে পারবেন (এটা নির্ভর আপনার ব্যবসা প্রতিষ্টিত হওয়ার পর)

৩. নিজেই সকল রুল তৈরী করতে পারবেন।

৪. আপনার সফলতার সময়সীমা আপনি নিজেই তৈরী করবেন।

৫. আপনার সার্ভিস আপনি তৈরী করতে পারবেন এবং যখন যেভাবে প্রয়োজন সার্ভিস দিতে পারবেন।

৬. আপনার কাজ করার জন্য যে ধরনের পরিবেশ আপনার জন্য ভাল তা নিজেই তৈরী করবেন।

৭. আপনার কাজের passion অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন।

৮. আপনার প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ সবকিছুর তদারকি আপনি করতে পারবেন।

৯. নতুন উদ্যোক্তা এবং প্রফেশনালদের সাথে মিট করার সুযোগ থাকে ।

১০. আপনার টিম ডেভলপ করার জন্য টিম মেম্বার আপনি নিজেই পচ্ছন্দ করতে পারবেন।

১১. নতুন প্রজেক্ট বাস্তাবায়নের মাধ্যমে অনেক নতুন জবের ব্যবাস্থার মাধ্যমে কর্মসংস্থান করতে পারবেন।

১২. আপনার সেবা অথবা সার্ভিস এর মাধ্যমে মানুষকে সাহায্য করতে পারবেন।

১৩. আপনার বিজনেস পরিচালনার জন্য মাধ্যমে আপনার দক্ষতা বাড়ার সাথে সাথে আপনারতার যোগ্যতা বাড়তে থাকবে।

১৪. আপনি নিজেই প্রজেক্ট ঝুঁকি নিবেন এবং এর সাথে লাভ নিজেই নিবেন।

১৫. আপনি চাইলে আপনার ইনকাম বাড়াতে পারেন, আপনার ব্যবসার পরিধির মাধ্যমে।

১৬. অর্থনৈতিক মুক্তি ঘটবে আপনার ব্যবসার সফলতার মাধ্যমে।

১৭. আপনার খরচের হিসাব রাখবেন এবং আপনার Tax পরিশোধের মাধ্যমে আপনার দেশকে সহায়তা করবেন।

১৮. প্রতিদিন নতুন চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে নিজেকে উদ্দীপিত করার সুযোগ থাকে।

১৯. নতুন দৃষ্টিকোণ এবং নতুন পন্থা আবিষ্কার করার সুযোগ।

২০ নতুন কাজের ক্ষেত্র তৈরী করা সম্ভব।

২১. নিজের সম্পদ বৃদ্ধির সুযোগ।

২২. আপনার ক্লাইন্টের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে পারবেন, যার মাধ্যমে আপনার অন্যান্য বিজনেস বাড়াতে এই ক্লাইন্টদের ব্যবহার করতে পারবেন।

২৩. বিরক্তিকর কাজ সমূহকে আপনার কাজের লিষ্ট থেকে বাদ দিতে পাড়বেন ।

২৪. আপনি আনন্দের সাথে কাজ করতে পারবেন। যতক্ষন ভাল লাগে কাজ করতে পারবেন ।

২৫. আপনার ক্ষমতা অনুযায়ী আপনার সোসাইটিকে সহায়তা করতে পারবেন।

২৬. আপনার কমিউনিটি এবং ইভেন্টের মাধ্যমে সহায়তা করতে পারবেন।

২৭. নতুন পরিকল্পনা এবং আইডিয়ার মাধ্যমে আপনার কাজের সেক্টরকে ডেভলপের সহায়তা করা।

২৮. মূল্যবান, অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ প্রশিক্ষককে সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ এবং তাদের কাছ থেকে শিখতে পারবেন।

২৯. নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার এর মাধ্যমে পরামর্শদাতা হয়ে উঠুন. এবং সঠিক পরামর্শের মাধ্যমে সহায়তা করুন।

৩০. নতুন কোন কাজ/প্রজেক্টের মাধ্যমে নতুন স্কিল অর্জন করার সুযোগ থাকে।

৩১. নতুন ইভেন্টের এবং ক্লাসের নিজের দক্ষতা আপডেট করার সুযোগ থাকে।

৩২. নিজের বড় অফিস সেটাপ। আপনার কাজের জন্য বড় অফিস প্রয়োজন মনে করলে আপনি বড় অফিস নিতে পারেন।

৩৩. যে কোন যায়গায় কাজ করার সুযোগ। আপনি বাসায় এবং অফিসে কাজ করার সযোগ পাবেন।

৩৪. একই সাথে একাধিক বিজনেস করার সুযোগ।

৩৫. একজন সফল উদ্যোক্তার অন্য যে কোন প্রফেশনের চেয়ে অনেক ভাল।

৩৬. নিজের ভাল সার্ভিস এর মাধ্যমে নাম এবং কোয়ালিটির সুনাম বাড়ানো যায়।

৩৭. নিজেকে মেধাকে ব্যবহার করে যে কোন প্রজেক্টে খুবই দ্রুত শেষ করা যায়।

৩৮. নিজের ব্যান্ড ডেভলপ করার মাধ্যমে বিজনেসকে কাজে লাগানো যায়।

৩৯. নিজের ক্রিয়েটিভ কাজকে কাজে লাগানো যায়।

৪০. নিজে সফল হলে অপরকে সফলতার জন্য মোটিভেট করা যায়।

৪১. খরচ কমানোর জন্য চাইলে আপনার বাসাকে অফিস হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

৪২. আপনার জব নিয়ে টেনশন করতে হবে না।

৪৩. আপনার কাজের মাধ্যমে আনন্দ এবং গর্ব খুজে পাবেন।

৪৪. আপনার নিজের সপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পারবেন।

৪৫. আপনার ব্যর্থতা থেকে অভিঞ্জতা খুজে নিবেন।

৪৬. আপনার বলার জন্য একটা সুন্দর সত্যিকারের গল্প থাকবে যে, আপনি আপনার লাইফে কি কি করেছেন। (আপনার নাতি-নাতনিদের কাছে) আপনার সফলতা অথবা ব্যর্থতার গল্প।

৪৭. আপনার পরবর্তি প্রজন্ম (আপনার নাতি-নাতনীর) জন্য অনেক আদর্শ রেখে যেতে পারবেন।

৪৮. আপনি এমন একটি বিষয় নিয়ে কাজ করছেন যেখানে আপনি সফল হলে আপনার আশেপাশের মানুষকে আপনি পরিবর্তন আনতে সহয়তা করতে পারবেন।

৪৯. ইন্টারনেট বিশ্বের মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই জানতে পারবেন আপনার কি দরকার এবং কিভাব তেথ্য পাবেন।

৫০. কোন কিছুই আপনাকে থামাতে পারবে না। আপনি সফল হবেন।

মো: রুবেল খান