সেনাবাহিনী

লামা উপজেলায় লামা চাইল্ড কেয়ার গ্রামার স্কুলের আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ ২৮ আগষ্ট সোমবার বেলা ১১ টার সময় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার খালেদ মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন পিএসসি, জোন কমান্ডার আলীকদম সেনা জোন। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপন্থিত ছিলেন লামা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শারাবান তাহুরা, মুক্তিযোদ্বা কমান্ডার শেখ মাহাবুবুর রহমান, মাতামুহুরী কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
লামা চাইল্ড কেয়ার গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম খাঁর স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশে স্কুলের সকল অভিভাবক ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক সাংবাদিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমান যুগোপযোগী শিক্ষা ও শিশুদের মানসিক নৈতিক বিকাশের ক্ষেত্রে লামা চাইন্ড কেয়ার গ্রামার স্কুল গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখবে। লামা উপজেলায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করে শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় আলীকদম সেনা জোনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন বক্তারা।
উপস্থিত অভিভাবকরা বিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন ও খেলাধূলা করার পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিদা নিশ্চিত করা সহ শিক্ষার মান আরো উন্নয়ন করতে স্থানীয় প্রশাসন সহ আলীকদম সেনা জোনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশে শেষে ১৫ ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১ তম শাহাদাত বার্ষির্কী উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ী ৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কার বিতরন করা হয়। এছাড়া সাংস্কৃতিক চর্চার জন্য আলীকদম জোন কর্তৃক তবলা ও হারমোনিয়াম তুলে দেন প্রধান অতিথি লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন পিএসসি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন পিএসসি বলেন, আমারা লামা-আলীকদমে কয়েকটি স্কুল পরিচালনা করছি। স্থানীয় প্রশাসন ,সরকার ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সহায়তায় লামা চাইল্ড কেয়ার গ্রামার স্কুলের স্থায়ী ভবন সহ সকল সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধান করে লামা চাইল্ড কেয়ার গ্রামার স্কুলকে আধুনিকায়ন করা হবে।
উল্লেখ্য ২০১৪ সালের ১৫ জুন তৎকালীন জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল আলমগীর  পি.এস.সি.র একান্ত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ে স্থানীয় প্রশাসন, মাতামুহুরী কলেজ ও লামার  গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সমন্বয়ে স্কুলটি পরিচালিত হচ্ছে । বর্তমানে ৪০ জন শিক্ষার্থী ও ৭ জন শিক্ষক নিয়ে স্কুলটির কার্যক্রম চলছে।