কবিতা
কী দূঃখ!  কী বেদনা! সোহরাওয়ার্দী,
তোমার চোখে কেন কান্না?
কোন সে অজানা কষ্ট চেপে
বয়ছে নয়নে ভারী ঝর্ণা?
আমার চোখে অশ্রু নহর
কষ্টের না, আনন্দের ক্রন্দন।
আমি তো আবেগাপ্লুত উচ্ছ্বসিত!
আমার বুকেই হবে সুন্নী ঐক্যের বন্ধন।
চোখের জলে কষ্ট দিলাম ছুটি
কী ভাগ্য! মোর পৃষ্ঠে ওলি আল্লাহর বিচরণ।
যে আশায় কেটেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী
আশার প্রহর শেষে এসেছে মহেন্দ্রক্ষণ।
আদিপুরুষ আদম, প্রথম রমনী হাওয়া
আরাফাতের ময়দান দামী তাঁদের মিলনে।
মিনা,মুজদালিফা,সাফা,মারওয়া স্মরণীয়
মহিমান্বিত হয়েছে লেগে নবীদের সনে।
ইয়াসরিব হল মদিনা স্বর্গে উস্তুনে হান্নানা
দয়াল নবীর কদম চুমে আরব হল সম্মানি।
সেই নবীর পাগল প্রেমিক সুন্নিজনতা আর
লক্ষ মুমিনের পদচারণায় ধন্য হব জানি।
মসনদে বসাতে-সরাতে মোরে করেছে ব্যবহার
রক্ষা করুন হে! মান্নান, মতিন বখতিয়ার।
মওলার জিকর নবীর দরুদে শান্তি দিন
বুলেট বোমায় যে বুক হয়েছে ছারখার।
খোদার রাজ্যে প্রভুর চলবে রাজত্ব
তাঁরি উপসনার তরে সৃষ্টি সবার।
মসজিদ বানিয়েছে সারা ধরণীতল
আমি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানও অংশ তাঁর।
বারো নভেম্বরের সূর্য উদিত হবে কবে?
রাত্রি শেষে প্রহর নামবে কখন ?
জঙ্গি সন্ত্রাস নির্মূলে শান্তির বানী প্রচারিতে
দেখ সুন্নী ঐক্য, হে বিশ্বের জনগণ।
ভাইয়ে ভাইয়ের মহামিলন
দেখতে তুরা আয়রে আয়।
আমি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রস্তুত বরণে
রয়েছি তুদের পদধূলি নেওয়ার অপেক্ষায়।
লেখক –
এম সাইফুল ইসলাম নেজামী

বিঃ দ্রঃ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ,চাকরি এবং বিজনেস  নিউজ ,টিপস ও তথ্য নিয়মিত আপনার ফেসবুক টাইমলাইনে পেতে লাইক দিন আমাদের ফ্যান পেজ বাংলার জব  এ ।