ইউজিসি

১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করতে ব্যবস্থা নিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে এসব বিশ্ববিদ্যালয় যেন শিক্ষার্থীদের টানতে না পারে সেদিকেও নজর রাখা হবে। এরই মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করেছে ইউজিসি। আগামী সপ্তাহেই জারি হবে গণবিজ্ঞপ্তি।

সার্টিফিকেট বাণিজ্য, মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং অবৈধ ক্যাম্পাস, নানা অভিযোগে বিভিন্ন সময়ে কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। কিন্তু আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে এদের বেশিরভাগই আবার শুরু করে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের আগে থেকে সতর্ক করতে ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তালিকা তৈরি করেছে ইউজিসি।

০১. বিজিসি ট্রাষ্ট ইউনিভার্সিটি
০২. আন্তর্জাতিক ইসলামী ইউনিভার্সিটি অব চট্টগ্রাম
০৩. সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি
০৪. ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস
০৫. সোনারগাঁ  ইউনিভার্সিটি
০৬. নর্দান ইউিনভার্সিটি
০৭. আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
০৮.  ইবাইস ইউনিভার্সিটি
০৯. সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
১০. কুইন্স ইউিনভার্সিটি

শিগ্রই এ বিষয়ে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করার কথা জানিয়েছে ইউজিসি।

আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো যেসব প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সরকারের যেকোন পদক্ষেপকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতিও।

আউটার ক্যাম্পাস বন্ধে সব বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকার নির্দেশ দিলেও অনেক জেলাতেই চলছে এদের কার্যক্রম। এসব ক্যাম্পাসে ভর্তি হয়ে শিক্ষা কার্যক্রম ঝুঁকির মুখে না ফেলতেও শিক্ষার্থী ও অভিবাবকদের আহ্বান জানিয়েছে ইউজিসি।

দেশের ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে ৮০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে ইউজিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী এদের ৮০ ভাগই কোন না কোনভাবে ভাঙছে আইন।